বোনাস নিয়ে যা জানা দরকার
390k-এ বোনাসের ব্যাপারটা বুঝতে হলে প্রথমে ওয়েজারিং রিকোয়্যারমেন্ট বোঝাটা জরুরি। ধরুন আপনি ১,০০০ টাকা ডিপোজিট করলেন এবং ১০০% বোনাস হিসেবে আরও ১,০০০ টাকা পেলেন। বোনাসের ওয়েজারিং যদি x২০ হয়, তার মানে ওই ১,০০০ টাকা বোনাস থেকে জেতা টাকা তুলতে হলে মোট ২০,০০০ টাকার বাজি ধরতে হবে। এটা অনেক মনে হলেও স্লটে নিয়মিত খেলুলে এটা পূরণ করা সম্ভব।
তবে সব বোনাস সমান না। 390k-এর ক্যাশব্যাক বোনাসে কোনো ওয়েজারিং নেই। অর্থাৎ সপ্তাহে নেট লস হলে যে ১০% ফেরত আসবে সেটা সরাসরি বিকাশে তুলে নেওয়া যাবে। এই ধরনের বোনাস আসলে বড় ঝুঁকির বিপরীতে একটা সেফটি নেট হিসেবে কাজ করে।
ফ্রি স্পিনের ক্ষেত্রে একটু সতর্ক থাকা দরকার। ৫০টি ফ্রি স্পিন থেকে মোট যা জেতা যাবে সেটা ওয়েজারিং x৩০ দিয়ে খেলতে হবে। ফ্রি স্পিনের একটা সুবিধা হলো — আসল টাকা না খরচ করেই স্লট গেম ট্রাই করা যায়। ফ্রি স্পিনে বড় জয়ের উদাহরণও আছে, তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ছোট পরিমাণ জেতা যায়।
VIP প্রোগ্রাম কীভাবে কাজ করে?
390k-এর VIP প্রোগ্রামটা সাধারণ পয়েন্ট সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরি। প্রতি ১০০ টাকার বাজিতে ১ পয়েন্ট জমে। পয়েন্ট জমলে লেভেল বাড়ে — Bronze, Silver, Gold, Platinum আর Diamond। লেভেল যত বাড়বে, সুবিধাও তত বাড়বে।
Diamond লেভেলে পৌঁছালে ডেডিকেটেড অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার পাওয়া যায়, উইথড্রয়াল লিমিট বাড়ে এবং বিশেষ টুর্নামেন্টে অ্যাক্সেস মেলে। এছাড়া জন্মদিনে বিশেষ বোনাসও দেওয়া হয় উচ্চ লেভেলের সদস্যদের।
রেফারেল বোনাস: বন্ধুকে আনুন, দুজনেই পান
রেফারেল প্রোগ্রামটা 390k-এর অন্যতম সেরা অফার। আপনার রেফারেল কোড দিয়ে কেউ নিবন্ধন করলে এবং প্রথম ডিপোজিট করলে আপনি ৫০০ টাকা বোনাস পাবেন। এক মাসে যদি ১০ জন বন্ধুকেও আনতে পারেন, তাহলে ৫,০০০ টাকা পর্যন্ত বোনাস পাওয়া সম্ভব।
রেফারেল বোনাসের ওয়েজারিং x১০, যা বেশ কম। স্লটে কয়েকদিন নিয়মিত খেললেই এটা পূরণ হয়ে যায়। তাই যারা নিয়মিত খেলেন তাদের জন্য রেফারেল একটা বাড়তি আয়ের সুযোগ।
স্পোর্টস বেটিংয়ে বোনাস
শুধু ক্যাসিনো না, 390k-এর স্পোর্টস সেকশনেও বোনাস আছে। ক্রিকেট ম্যাচে প্রি-ম্যাচ বোনাস, আইপিএল বা বিশ্বকাপ সিজনে বিশেষ প্রমোশন — এগুলো স্পোর্টস বেটিং করা খেলোয়াড়দের জন্য আকর্ষণীয়। বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমী দর্শকদের কথা মাথায় রেখে বিশেষ ম্যাচে বাড়তি অডস বুস্টও দেওয়া হয়।